Dhaka ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিডিএ চেয়ারম্যান ও ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, ৩ দিনের আইনি নোটিশ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিপিপি শীঘ্রই, দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করার পরিকল্পনা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ব্যালন ডি’অর না পাওয়ার আক্ষেপ নেই, ইয়ামাল বললেন—‘একদিন আমার সময়ও আসবে’ আইনি জটিলতা ও সম্মানহানির অভিযোগে ফেসবুকে মুখ খুললেন তানজিন তিশা মুকসুদপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আনন্দ র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশনে হরিলুট: সিন্ডিকেটের শত কোটি টাকার দুর্নীতি ও জালিয়াতির সাম্রাজ্য উন্মোচিত উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষার ওপর জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির সুপারিশ সংসদীয় কমিটির দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রিতে আর্থিক অনিয়ম: কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা

দুর্গাপূজার ছুটির আমেজ: ফাঁকা রাজধানীর বাজার, কমেছে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের উপস্থিতি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০১:১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ বার

দুর্গাপূজার লম্বা ছুটির প্রভাবে ফাঁকা হয়ে পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো। টানা ছুটিতে ঢাকাবাসী শহরের বাইরে যাওয়ায় এবং অনেক ব্যবসায়ীও গ্রামের বাড়ি চলে যাওয়ায় বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে মাছ ও মাংসের বেচাকেনায়।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের এক মাংস বিক্রেতা জানান, এবারের পূজার ছুটি অনেকটা ঈদের ছুটির আমেজ তৈরি করেছে। গতকাল থেকেই বাজারে মানুষের আনাগোনা অনেক কম। যারা বাজারে আসছেন, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় কেনাকাটা শেষ করে চলে যাচ্ছেন।

মাছের বাজারে ক্রেতা কম থাকলেও নানা দামের মাছের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। বাজারভেদে মাছের দামের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

চিংড়ি ও অন্যান্য: গলদা চিংড়ি ১ হাজার ২০০ টাকা, ভেনামি চিংড়ি ৮০০ টাকা, দেশি ছোট চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং রুপচাঁদা ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি ও অন্যান্য মাছ: দেশি কৈ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বড় বোয়াল ৮০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, আইড় (এক কেজি ওজনের) ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাজলি ১ হাজার ৪০০ টাকা, বড় বাইম ৮০০ টাকা এবং মাঝারি বাইম ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রুই ও কাতল: এক কেজির কম ওজনের রুই মাছের কেজি ২৯০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের রুই ৩৮০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কাতল মাছের দামও প্রায় একই রকম।

অন্যান্য মাছ: ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, পাবদা ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বাটা মাছ ২৮০ টাকা, ছোট সিলভার কার্প ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বড় সিলভার কার্প ১৮০ টাকা, গুঁড়া মাছ ৬০০ টাকা এবং কাচকি মাছ ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. সজল বলেন, গত শুক্রবারের তুলনায় ক্রেতা ও বিক্রেতা—দুয়ের সংখ্যাই কম। লম্বা ছুটির কারণে চাকরিজীবীদের পাশাপাশি অনেক মাছ ব্যবসায়ীও বাড়ি গেছেন বা অন্য কাজে ব্যস্ত। এতে বাজারে মাছের সরবরাহ যেমন কমেছে, তেমনি ক্রেতার উপস্থিতিও কম। সব মিলিয়ে বেচাকেনা বেশ মন্দা।

মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ী আলী আসগর বলেন, সাধারণত ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার ভিড় ও তাজা মাছ বেশি থাকে। তবে আজ বাজারে ক্রেতার ভিড় যেমন নেই, তেমনি মাছ বিক্রেতার সংখ্যাও বেশ কম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

সিডিএ চেয়ারম্যান ও ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, ৩ দিনের আইনি নোটিশ