
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীনের চাকরি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর ধরে চাকরি করার পাশাপাশি সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত রোববার (১ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রংপুর অঞ্চলের একটি প্রতিনিধিদল কলেজটিতে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্ত দলের নেতৃত্ব দেন মাউশি রংপুর অঞ্চলের পরিচালক (কলেজ), যাঁকে সহযোগিতা করেন গবেষণা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, তদন্তের সময় অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজনীয় সনদ ও নথিপত্র দেখতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো ধরনের কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলটির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও এসব বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে বিস্তারিত কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমি জাল সনদে চাকরি করি না। আমাকে বেকায়দায় ফেলতে অধ্যক্ষ এমনটা করছেন। আমি বর্তমানে বাইরে আছি, এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলব।”
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























