Dhaka ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
টঙ্গিবাড়ীতে ড্রেজারে অবৈধ জমি ভরাট ও শ্রেণি পরিবর্তন রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পাইপলাইন জব্দ ও ধ্বংস ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি থাকছে মোট ২৯ দিন, কার্যকর ছুটি ২২ দিন বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ ও সরকারি ক্রয় আইন চূড়ান্ত করল মন্ত্রিসভা বড়লেখায় ‘জিন্নি হুজুরের’ প্রতারণা: ৫ ভরির বেশি স্বর্ণালঙ্কারসহ চক্রের ৪ জন গ্রেপ্তার সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনীতি সংকটের মুখে: এবি পার্টি ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি: রাহুল গান্ধীকে অমিত শাহের কড়া আক্রমণ মেক্সিকোর স্কুলগুলোতে মুঠোফোন নিষিদ্ধ: একদিকে শিশু সুরক্ষা, অন্যদিকে নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের আতঙ্ক দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক খুলনায় থামছে না রক্তপাত: ১২ দিনে ৭ খুন, রূপসায় মিলল দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ জাতীয় সংসদে মানবাধিকার বিষয়ক নতুন ককাস গঠিত, প্রধান পৃষ্ঠপোষক স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ

২৪ বছর ধরে শিক্ষকতা! কুড়িগ্রামের সেই কলেজ শিক্ষকের সনদ নিয়ে ধোঁয়াশা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীনের চাকরি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর ধরে চাকরি করার পাশাপাশি সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত রোববার (১ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রংপুর অঞ্চলের একটি প্রতিনিধিদল কলেজটিতে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্ত দলের নেতৃত্ব দেন মাউশি রংপুর অঞ্চলের পরিচালক (কলেজ), যাঁকে সহযোগিতা করেন গবেষণা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, তদন্তের সময় অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজনীয় সনদ ও নথিপত্র দেখতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো ধরনের কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলটির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও এসব বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে বিস্তারিত কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমি জাল সনদে চাকরি করি না। আমাকে বেকায়দায় ফেলতে অধ্যক্ষ এমনটা করছেন। আমি বর্তমানে বাইরে আছি, এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলব।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

টঙ্গিবাড়ীতে ড্রেজারে অবৈধ জমি ভরাট ও শ্রেণি পরিবর্তন রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পাইপলাইন জব্দ ও ধ্বংস